মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকায় শুরু হচ্ছে ২০টির বেশি দেশের অংশগ্রহণে পর্যটন মেলা শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে মব বা বেআইনি পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে না : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে প্রায় ৬.৩৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে জাপান নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে সৌদি আরবে থাকা অপ্রয়োজনীয় কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের দেশটি ছাড়ার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরি হওয়ায় জাপানি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী : তারো আসো জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ৭ নভেম্বর সারা দেশে র‍্যালি করবে বিএনপি সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ : আইজিপি আগামী অর্থবছরের মধ্যে বদলে যাবে দেশের স্বাস্থ্যখাত : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সৌদি মিশনে তীব্র জনবল সংকট, শেখ হাসিনাকে ফেরানোর তাগিদ : সংসদের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে দেশে টেক্সটাইল শিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণায় গুরুত্ব আরোপ রাষ্ট্রপতির চতুর্থবারের মতো ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট হলেন কট্টর ফিলিস্তিনপন্থি লুলা চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘ ছুটির পর ঢাকার রাস্তায় বাড়তে থাকে যানবাহনে চেনা রূপে ঢাকা, সড়কে যানজট-গণপরিবহনে ভিড় সাইবার নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার পর চালু বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন নয় : প্রধানমন্ত্রী

ঢাকায় শুরু হচ্ছে ২০টির বেশি দেশের অংশগ্রহণে পর্যটন মেলা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর পর্যটন ও টেকসই গন্তব্যের ধারণাকে সামনে রেখে আগামী বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকায় শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ)-২০২৬। ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) আয়োজনে ১৪তমবারের মতো এ মেলা অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে। মেলার টাইটেল স্পন্সর হিসেবে রয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীর ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান টোয়াবের পরিচালক (ট্রেড অ্যান্ড ফেয়ার) আবুল বাসেত বাবু।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ‘এআই পাওয়ার্ড ট্যুরিজম, সাসটেইনেবল ডেস্টিনেশন’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত মেলাটি চলবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত। এতে ২০টির বেশি দেশের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যটন প্রতিনিধিরা ও সংস্থা অংশ নেবে। মেলায় ২০০টির বেশি বুথ ও স্টল, ২২০ জনের বেশি প্রদর্শক, ২৫০ জনের বেশি সম্ভাবনাময় ক্রেতা এবং আড়াই হাজারের বেশি বাণিজ্যিক দর্শনার্থী অংশগ্রহণ করবেন। পাশাপাশি ৬০ হাজারের বেশি দর্শনার্থী মেলা পরিদর্শন করবেন বলে আশা করছি।

আবুল বাসেত বাবু বলেন, গত ১৩টি সফল আয়োজনের ধারাবাহিকতায় বিটিটিএফ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শীর্ষ পর্যটন প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। এ মেলা দেশীয় পর্যটনকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে ব্যবসায়িক যোগাযোগ এবং নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

টোয়াব পরিচালক বলেন, এবারের মেলায় নেপাল, ভারত, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ, ফিলিপাইন, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ব্রুনাই, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া ও আজারবাইজানসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। চারটি থিমভিত্তিক প্রদর্শনী হলে ২০০টির বেশি এয়ারলাইন্স, হোটেল ও ট্যুর অপারেটর অংশ নেবে।

সংবাদ সম্মেলনে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের জেনারেল ম্যানেজার (পাবলিক রিলেশনস) মো. কামরুল ইসলাম বলেন, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স মাত্র দুটি উড়োজাহাজ নিয়ে যাত্রা শুরু করে বর্তমানে ২৫টি উড়োজাহাজ দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আগামী ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বহরে আরও ২১টি বোয়িং উড়োজাহাজ যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে ১০টি দেশের ১৪টি গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে প্রতিষ্ঠানটি। আগামী পাঁচ বছরে লন্ডন, রোম, সিডনি, টরন্টো ও নিউইয়র্কসহ নতুন গন্তব্যে ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। তবে বাংলাদেশের পর্যটন ও এভিয়েশন শিল্পের উন্নয়নে শুধু পরিকল্পনা নয়, বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগ প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সরকারের সঙ্গে বেসরকারি খাতের সমন্বিত প্রচেষ্টা জরুরি।

তিনি বলেন, পর্যটন উন্নয়নে পরিবেশ সংরক্ষণের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। কোনো স্থাপনায় নিয়মের ব্যত্যয় ঘটলে নির্মাণের শুরুতেই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত, বিনিয়োগের পর ভেঙে দেওয়া নয়। পাশাপাশি ঢাকার বিমানবন্দরে একক রানওয়ের কারণে উড়োজাহাজের অতিরিক্ত জ্বালানি খরচ, তৃতীয় টার্মিনালের কার্যকর ব্যবহার এবং ট্রানজিট যাত্রীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। কক্সবাজারসহ পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে ঘোরাফেরা ও বিনোদনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গড়ে তোলারও প্রয়োজন রয়েছে। সরকার পরিবর্তন হলেও উন্নয়ন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে পর্যটনশিল্পকে এগিয়ে নিতে হবে, যাতে দেশের জিডিপিতে এ খাতের অবদান বাড়ে।