রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা-রংপুর লংমার্চ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির জরুরি বৈঠক টিকিট কেটেও ক্যারিবিয়ান বিমানে ওঠা হলো না সাইমের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদনের সময় আজ রাত ৮টায় শেষ হচ্ছে, ফল ১৬ সেপ্টেম্বর ইন্দোনেশিয়ায় একটি সামুদ্রিক জাহাজ নিখোঁজ ২৪০ যাত্রী নিয়ে জরুরী মানবিক সাহায্যের আবেদন : বাঁচতে চান আব্দুল বারেক কোকোর নামে সারা দেশে আয়োজন করা হবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট কারা অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক ও অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শকের নিয়োগ বাতিল সৌদি আরবের সামরিক ঘাঁটিতে ইয়েমেনের হুথিদের মিসাইল ও ড্রোন হামলা পতেঙ্গা টার্মিনালে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫৮ কন্টেইনার বা ৮২ টিইইউস হ্যান্ডলিংয়ের রেকর্ড কুমিল্লায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ছিনতাই ও মাদকে জড়িত ১৯ জন গ্রেপ্তার দেশের প্রয়োজনে ছাত্রসমাজকে কাজ করতে হবে, তবে লেখাপড়া ছেড়ে নয় : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তার জন্য মার্কিন ‘পাহারাদারের’ কোনো প্রয়োজন নেই : ইরানের প্রেসিডেন্ট অনূর্ধ্ব-২০ জুনিয়র এশিয়া কাপ হকিতে চায়নিজ তাইপেকে হারিয়ে সপ্তম বাংলাদেশ অপতথ্য ঠেকাতে শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে হবে সাংবাদিকদের : প্রতিমন্ত্রী হুথিদের অভিযানের সময় সৌদি সমর্থিত ইয়েমেনি কমান্ডাররা পালিয়ে গেছেন

অস্ত্র-মাদক নিয়ন্ত্রণে দেশসেরা কুমিল্লার এসপি আনিসুজ্জামান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পেশাদারিত্ব ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান। এ অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি পেয়েছেন প্রথম পুরস্কার।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রমের মূল্যায়নের ভিত্তিতেই এ সম্মাননা দেওয়া হয়।
পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কোনো একক ব্যক্তির নয়, এটি পুরো

জেলা পুলিশের টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি দায়িত্ব পালনে আরও উৎসাহ জোগায় এবং কাজের গতি বাড়িয়ে দেয়।
তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কুমিল্লাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, এ অর্জনের নেপথ্যে রয়েছেন কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিরা। তাদের সহযোগিতা ছাড়া এমন সাফল্য অর্জন সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।