সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম :
এলাকায় মাদক, ইভটিজিং,বাল্যবিবাহ, জুয়া এবং কিশোর গ্যাং নির্মূলের লক্ষ্যে জরুরী আলোচনা ও পরামর্শ সভা বন্যাদুর্গত তিন উপজেলার খোঁজ নিতে চট্টগ্রামে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও অর্থনৈতিক করিডর উদ্যোগ বাস্তবায়নে আশাবাদী চীনের রাষ্ট্রদূত পরিবেশ সংরক্ষণে সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ১৫ মাস পর দেশে ফিরছেন ইলিয়াস কাঞ্চন ইরানের সঙ্গে নতুন করে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র, জানালেন ট্রাম্প চট্টগ্রামে গ্যাস সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ : নিভেছে চুলা, কমেছে উৎপাদন, বেড়েছে লোডশেডিং সব বেসরকারি দাখিল-আলিম মাদ্রাসার অ্যাডহক কমিটি বাতিল করেছে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড হামের জিনগত পরিবর্তন হয়নি, আক্রান্ত বেশি ৯ মাসের নিচে- আইসিডিডিআর’বির অনুসন্ধান সরকারে আসছেন বলে কাউকে গরম দেখাবেন না- মির্জা ফখরুল জুলাইয়ে এলো ৩৫ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স অস্ট্রেলিয়ায় লেভেল-২ কোচিং কোর্স সম্পন্ন করলেন ইমরুল কায়েস ১২ কেজির এলপিজির দাম বাড়ল ৭০ টাকা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ঢাকার চারপাশে নৌপথ চালু নিয়ে সভা দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে- স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

শতবর্ষী সামিত্রী দাসের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিল আবুল হাসেম ফাউন্ডেশন

আবু জাফর ,কুমিল্লাঃ জীবনের শতাধিক বসন্ত পেরিয়ে এসেছেন সামিত্রী দাস। বয়সের ভারে ন্যুব্জ শরীর, চলাফেরার শক্তিও প্রায় হারিয়ে ফেলেছেন। অনেক আগেই হারিয়েছেন জীবনসঙ্গী মৃত গৌর মোহন দাসকে। স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই সংগ্রাম আর একাকীত্বকে সঙ্গী করে দিন কাটছিল তাঁর। কিন্তু সম্প্রতি কালবৈশাখী ঝড় সেই সংগ্রামকে আরও কঠিন করে তোলে।

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার বিতারা দাস বাড়ির এই অসহায় বৃদ্ধার একমাত্র আশ্রয়স্থল ঘরটি ঝড়ের তাণ্ডবে সম্পূর্ণ ভেঙে যায়। মুহূর্তেই মাথা গোঁজার শেষ ঠাঁইটুকুও হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েন তিনি। অসহায়ত্ব আর অনিশ্চয়তার মাঝে দিন কাটাতে থাকা সামিত্রী দাসের চোখে তখন শুধুই হতাশার ছাপ।

ঠিক এমন সময় মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দেয় আবুল হাসেম ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও প্রবাসী সমাজসেবক গাজী আব্দুর রশিদ নিজ অর্থায়নে সামিত্রী দাসের জন্য একটি নতুন গৃহ নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তাঁর এই মহৎ উদ্যোগে নতুন করে আশার আলো দেখতে শুরু করেছেন বৃদ্ধা সামিত্রী দাস।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একজন অসহায় বৃদ্ধার পাশে দাঁড়িয়ে গাজী আব্দুর রশিদ যে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। সমাজের বিত্তবানদেরও এ ধরনের কাজে এগিয়ে আসা উচিত বলে তারা মনে করেন।

এ সময় বক্তব্য রাখেন আবুল হাসেম ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম এবং স্থানীয় অধিবাসী ইসমাইল পাঠান। তারা বলেন, সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে ফাউন্ডেশনটি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

ফাউন্ডেশনের সভাপতি গাজী আব্দুর রশিদ বলেন, “মানবসেবার লক্ষ্য নিয়েই আবুল হাসান ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে আমরা এলাকার বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছি। ভবিষ্যতেও অসহায় মানুষের পাশে থেকে সমাজের উন্নয়নে কাজ করে যেতে চাই। এজন্য সকলের সহযোগিতা ও পরামর্শ কামনা করছি।”
একটি ঘর হয়তো শুধু ইট-কাঠের নির্মাণ নয়; এটি নিরাপত্তা, স্বস্তি ও বেঁচে থাকার নতুন স্বপ্নের প্রতীক। সামিত্রী দাসের জীবনেও সেই স্বপ্নের আলো জ্বালিয়ে দিয়েছে আবুল হাসেম ফাউন্ডেশনের এই মানবিক উদ্যোগ।