বর্তমান পরিস্হিতিতে মানুষ নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন অতিবাহিত করছে। বিগত সময়ে দলীয় সমর্থকরাও আজ শংকিত। এমনকি ঘর বাড়ি থেকে শুরু করে পরিবার পরিজনও মব পরিস্হিতির শিকার। ঠিক তেমনি একজন সমাজসেবক কলাম লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক সেলিম সিকদার আজ নানাভাবে হয়রানির শিকার। বর্তমানে তিনি ঢাকার রামপুরায় বসবাস করছেন। কিন্তু সেখানে তিনি নিরাপদ নন।
প্রতিমুহূর্তে তাকে হুমকি দেয়া হচ্ছে।ভয়ভীতি দেখিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। এজন্য তিনি মানসিকভাবে ভেংগে পড়েছেন । তিনি প্রাণভয়ে একপ্রকার পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। তিনি আশংকা করছেন যে কোনো সময় তার বাড়ি ঘরে হামলা ভাংচুর অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট হতে পারে। অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তাকে নানাভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে যাচ্ছে লাগাতারভাবে। অথচ সবাই জানে মানবিক গুণাবলীর অধিকারী সেলিম সিকদার একাধারে লেখক, সাংবাদিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সমাজসেবক। কর্মময় জীবনে নানা ঘাত প্রতিঘাত পেরিয়ে আজ তিনি সফল।
শৈশব থেকেই তিনি এলাকার মাটি ও মানুষের সাথে নিবিড়ভাবে মিশেছেন। সামাজিক সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে জড়িত ছিলেন তো বটেই। দেশখ্যাত বেশ কিছু মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান তাকে সামাজিক ন্যায় বিচার, মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার সামাজিক আন্দোলনের বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ক্রেষ্ট ও সম্মাননাসূচক সার্টিফিকেট প্রদান করে। তিনি বহু সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন এবং সুনাম অর্জন করেছেন।
এছাড়াও নানা দুর্যোগময় মুহূর্তে তিনি ছুটে গেছেন বন্যার্তদের মাঝে। প্রচন্ড শীতে যখন সাধারণ মানুষ মৃত্যুকে আলিঙ্গন করছে তখন তিনি ছুটে গেছেন উত্তরাঞ্চলের নিভৃত পল্লীতে। মানুষের পাশে থেকে মানুষের সেবা করেছেন। তিনি সমাজের অসংগতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদী ছিলেন সব সময়। অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন আজীবন। ন্যায়ের পক্ষে থেকে কাজ করেছেন। অন্যায়কে প্রশ্রয় দেননি। এজন্য নানা প্রতিকূলতার মধ্েযও তিনি সংগ্রাম করছেন। স্কুল ও কলেজ জীবন থেকেই সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিলেন।
বর্তমানে রামপুরায় অবস্হিত ইউনির্ভাসেল আইডিয়াল স্কুল ও কলেজের উপদেষ্টা। হাতিরঝিল-বাড্ডা এলাকায় শরীর চর্চায় সচেতনতা সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন সময় অনুষ্ঠিত ক্যাম্পেইনে নেতৃত্ব ও পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন।সমাজসেবামূলক সংগঠন ভোরের পাখি এক্সপ্রেস এর সক্রিয় সদস্য তিনি। করোনাকালীন সময় তিনি এলাকার মানুষের মধ্যে কোভিড-১৯ সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে নানা ধরনের উদ্যোগ ও পদক্ষেপ নিয়েছেন।
সেলিম সিকদার জাতীয় পত্রিকায় কবিতা, প্রবন্ধ লিখতেন। তিনি তখন থেকে ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক হিসেবে এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক হিসেবে প্রচুর লেখালেখি করেছেন।তার লেখা স্হানীয় ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় নিয়মিত প্রকাশিত হয় । তিনি বিভিন্ন বিষয়ে বহু প্রবন্ধ ও ফিচার লিখেছেন, যা পাঠকদের দারুণভাবে আকৃষ্ট করে। মানবাধিকার কর্মি এবং দানবীর হিসেবেও তিনি জনমনে পরিচিতি অর্জন করেন।
স্ত্রী কোহিনুর বেগম একজন গৃহিণী। দুই সন্তানের জনক। মেয়ে নওশিন তাসনিম সাবাহ সুদৃর আমেরিকায় ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে সাফল্যের সাথে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করেছে। ঐ ইউনিভার্সিটিতে মাস্টার্স করার সুযোগ পেয়েছে। ভবিষ্যতে পিএইডি ও গবেষণা কাজে সম্পৃক্ত হওয়ার পরিকল্পনা আছে। ছেলে সাকিফ ফারহান ও লেভেলে পড়াশোনা করছে ।
তাঁর নিঃস্বার্থ সমাজসেবা ও সাংবাদিকতার জন্য তাকে ‘প্রতিপক্ষ’গুণীজন সম্মাননা ২০১৯ প্রদান করে। তিনি সুলেখক ও সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্যে এসম্মাননা পান। পাশাপশি সাপ্তাহিক কাগজ কলম লেখক সাংবাদিক ও কলাম লেখক হিসেবে ২০২১ সালে তাকে বিশেষ সম্মাননা দেয়া হয়।
অথচ এই স্বনামধন্য ব্যক্তিকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্যে মহল বিশেষের চক্রান্ত শুরু হয়েছে। তিনি ও তার পরিবার আজ চরম নিরাপত্তাহীনতায়। সেলিম সিকদারের স্ত্রী ও একমাত্র ছেলে এদেশে নিরাপত্তাহীনতার কারণে আমেরিকায় অবস্হান করছে। আজ তারাও সেলিম সিকদারের জন্যে উৎকন্ঠিত ও ভীতসন্ত্রস্ত।