নিজস্ব প্রতিবেদক: কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেহালদশা। খেয়াল খুশিমতো হাসপাতালে আসেন ডাক্তাররা। এতে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা লাখ লাখ মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মনোহরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আহত এক ব্যক্তির চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পুলিশের ভূমিকার পর আলোচনায় এসেছে। গত ৩১ মার্চ রাত ১০টার দিকে হাসনাবাদ ইউনিয়নে চোর সন্দেহে এক ব্যক্তিকে গণপিটুনি দেওয়া হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রাত ১২টার দিকে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয়রা।
অভিযোগ রয়েছে, কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ফাইজুর রহমান শুরুতে রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা না দিয়ে অপেক্ষায় রাখেন। এ সময় উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা আহত ব্যক্তির দ্রুত চিকিৎসার জন্য বারবার অনুরোধ করেন। পরিস্থিতি জটিল হলে মনোহরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ঘটনাস্থলে এসে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য চিকিৎসককে অনুরোধ জানান। পরবর্তীতে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে অবহিত করা হলে তার নির্দেশনায় রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
হাসপাতালে আসা মো. সফিকুর রহমান নামের এক ভুক্তভোগী বলেন, আমার ভাতিজাকে খতনা করাতে হাসপাতালে এসেছি। হাসপাতালে জরুরি বিভাগের দায়িত্বে থাকা হাবিব নামের এক ব্যক্তির সাথে কথা হলে, খতনা করাতে ১৫০০ টাকা লাগবে বলে জানান। হাবিব আরও বলেন, বাহিরে আরও বেশি রাখে, আমরা অনেক কম রাখি।
হাসপাতালে আসা মো. সফিকুর রহমান নামের এক ভুক্তভোগী বলেন, আমার ভাতিজাকে খতনা করাতে হাসপাতালে এসেছি। হাসপাতালে জরুরি বিভাগের দায়িত্বে থাকা হাবিব নামের এক ব্যক্তির সাথে কথা হলে, খতনা করাতে ১৫০০ টাকা লাগবে বলে জানান। হাবিব আরও বলেন, বাহিরে আরও বেশি রাখে, আমরা অনেক কম রাখি।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রিয়াংকা চক্রবর্তী জানান, ঠিক সময়ে ডাক্তাররা হাসপাতালে আসেন না কথাটা ঠিক না। হাসপাতালে বায়োমেট্রিক হাজিরা চালু রয়েছে। প্রতিদিন ডাক্তাররা হাজিরা দিয়ে চেম্বারে প্রবেশ করেন।
জরুরি বিভাগে কর্মরত ডাক্তাররা যদি কোনো রোগীর সঙ্গে খারাপ আচরণ করে থাকেন, সেটা আমাকে কেউ জানাননি। হাসপাতালে কোনো ওয়ার্ড বয় বা ক্লিনারের রোগীর সেলাই করার নিয়ম নেই। এরকম অভিযোগ পেলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।