প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সবাই আলোচনা করে একমত হয়েছিলাম বা একটি বিষয়ে আমরা উপনীত হয়েছিলাম এটি একটি বৈশ্বিক সমস্যা, সারা বিশ্বেই এই সমস্যার তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা তার বক্তব্যে বাংলাদেশের যে উদ্বেগ সেটি জানিয়েছেন এবং প্রস্তাব দিয়েছেন, ওনাদের কাছে কিছু পরামর্শ আছে, সরকারি দল এবং বিরোধীদল এক সঙ্গে সেই বিষয়গুলি নিয়ে কাজ করতে পারি।
তিনি বলেন, বিএনপি সবসময় দেশের স্বার্থে, দেশের মানুষের স্বার্থে যে কোনো আলোচনা যে কারও সঙ্গে করতে প্রস্তুত রয়েছে। সে প্রেক্ষাপটে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমরাদের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছি। আমি বিরোধীদলীয় নেতা এবং বিরোধীদলকে অনুরোধ করবো উনারাও যদি পাঁচ জনের নাম দেন তাহলে এই ১০ জন ব্যক্তি বসে এই বিষয়গুলোর ওপর আলোচনা করতে পারে। কোনো পরামর্শ থাকলে এই কমিটির মাধ্যমে সেটি সরকারের কাছেও আসলো এবং সেটার মধ্যে কোনো বাস্তবতা থাকলে অবশ্যই সেটি কার্যকর করার উদ্যোগ নেবো। কমিটিন সভাপতি হিসেবে থাকবেন জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। অন্য চার সদস্য হলেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান, মঈনুল ইসলাম খান এবং মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।
সংসদ নেতা বলেন, আমি বিরোধীদলীয় নেতাকে অনুরোধ করবো উনাদের পক্ষ থেকে নামগুলো যদি দ্রুত আমাদের কাছে দেন, তাহলে কমিটি দ্রুত কাজ শুরু করতে পারবে।
পরে বিরোধীদলীয় নেতাকে ফ্লোর দেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এসময় বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, বিষয়টি ইতিবাচকভাবে নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ। আমরা আশা করি এই সংসদ জাতীয় সব সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দু হবে ইনশাআল্লাহ এবং আমরা মনে করি এই সংসদের জন্য এটি একটি নবযাত্রা। এটাকে আমি সাধুবাদ জানাই এবং আমরা শিগগির নাম দেবো।
এরপর স্পিকার বলেন, আশা করি অতি অল্প সময়ের মধ্যে বিরোধীদলের নেতা পাঁচজন সদস্যের নাম দেবেন। কারণ এই সংসদ (অধিবেশন) এ মাসের শেষেই শেষ হবে। আপনাদের এই বক্তব্যের ফলে জনগণের মনে অনেক আশা সঞ্চার হয়েছে। সরকার এবং বিরোধীদল এভাবে যদি সহযোগিতার মাধ্যমে অগ্রসর হয়, তবে দেশের যে কোনো সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।