সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম :
বিমা খাতে অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও দুর্নীতি গভীরে, কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে: অর্থমন্ত্রী নারী উদ্যোক্তাদের নিয়ে শামা ওবায়েদকে চীন সফরের আমন্ত্রণ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী শিল্প-কারখানায় গ্যাস সরবরাহ আগামীকাল থেকে আগের অবস্থায় ফিরবে : আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরবে ফের হুথি বিদ্রোহীদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত : ভোট শুরু ১২ নভেম্বর, ভোট হবে ৭ ধাপে শিক্ষা, প্রযুক্তিতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান : রাষ্ট্রপতির এশিয়ান গেমসে ঋতুপর্ণাদের জালে উত্তর কোরিয়ার ১০ গোল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডি নির্বাচনে আসছে নতুন নিয়ম বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির তদন্ত প্রতিবেদন আবারও পেছালো শিল্প কারখানায় মঙ্গলবার থেকে জ্বালানি সংকট কাটতে শুরু করবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন : ইসি মাছউদ মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংকের সামনে দুই পক্ষের সংঘর্ষ অন্তত ৫৫ জন আহত আগামী ১৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও বিল সাবমিটের নির্দেশ ইয়েমেন হুথি বিদ্রোহীদের বিভিন্ন স্থাপনায় ৪ ঘণ্টায় ৫৮টি বিমান অভিযান চালিয়েছে সৌদি

ধর্ষকদের রক্ষাকারীকে শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে মোদি সরকার- রাহুল গান্ধী

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ধর্ষকদের রক্ষাকারীকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। চলতি সপ্তাহের শুরুতে তরুণদের আন্দোলনের মুখে পদত্যাগে বাধ্য হন দেশটির সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এরপর প্রহ্লাদ যোশীকে নতুন শিক্ষামন্ত্রী বানায় মোদি সরকার।

রাহুল গান্ধী আজ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বলেছেন, বিজেপি সরকার এমন একজনের ওপর আস্থা রেখেছে যিনি ধর্ষকদের রক্ষাকারী।

কেন এমন কথা বললেন রাহুল?

২০০২ সালে গুজরাটের দাঙ্গার সময় বিলকিস বানু নামে এক নারীকে ধর্ষণ ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করে উগ্রবাদীরা। ওই ঘটনায় ১১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। তবে ২০২২ সালে তাদের আগাম মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়। তাদের মুক্তি নিয়ে ২০১৮ সালে প্রক্রিয়া শুরু হয়।

আরও ওই সময় এসব ধর্ষকের মুক্তির ব্যাপারে সাফাই গান প্রহ্লাদ যোশী। তিনি বলেন গুজরাটের ধর্ষকরা দীর্ঘ সময় কারাবাস করেছে এবং তাদের মুক্তির ব্যাপারে একটি বিধান রয়েছে। তাই তারা ছাড়া পেলে তার কোনো সমস্যা নেই।

এরপর ২০২২ সালে গুজরাট সরকারের নির্দেশনায় তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। তবে ওই ১১ ধর্ষককে আগাম মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি ভারতে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি করে। এরপর ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট গুজরাট সরকারের এ নির্দেশনা অবৈধ ঘোষণা করে এবং সবাইকে আবারও কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশীকে ধর্ষকদের রক্ষাকর্তা হিসেবে অভিহিত করে রাহুল গান্ধী বলেছেন, “ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর দিকে দেখুন। তরুণরা শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে এত আন্দোলনের পর বিজেপি এমন একজনকে দায়িত্ব দিয়েছেন যিনি ধর্ষকদের রক্ষাকর্তা। আর ধর্ষকদের রক্ষাকর্তারা হলেন সবচেয়ে নোংরা ব্যক্তি। যখন কেউ বলেন ধর্ষকদের নিরাপত্তা প্রয়োজন আছে তার চেয়ে নোংরা কেউ হতে পারেন না। আর সেই ব্যক্তি ভারতের শিক্ষামন্ত্রী।”