মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম :
মনোহরগঞ্জ ইউএনও’র সঙ্গে উন্নয়ন ফোরামের প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ দেশের নগর স্বাস্থ্যসেবাকে নতুনভাবে ঢেলে সাজানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার : প্রতিমন্ত্রী সৌদি আরবে হুথিদের হামলা, বিশ্ববাজারে লাফিয়ে বাড়ছে তেলের দাম ইসির ঘোষিত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ সরকারের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে পরিবর্তিত হতে পারে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নির্বাচন কমিশনের ইউপি ভোটের তারিখ ঘোষণার বিষয়ে সরকার কিছু জানে না : মীর শাহে আলম সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আধুনিক শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখতে সোলার প্যানেল বসানো হবে : শিক্ষা সচিব জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদের-আরাফাতসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড নয় মাসে ‘আমরা টেকনোলজিস’-এর লোকসান বেড়েছে প্রায় ৯০ শতাংশ। এক সিরিজের ১৪ পুরস্কার এবং আরো যেসব রেকর্ড হলো বিশ্বকাপ পর্যন্ত পেস বোলিং কোচের দায়িত্বে তালহা জুবায়ের ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে পাকিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকার স্পিকারদের বৈঠক রাষ্ট্রপতি হয়ে প্রথমবার সিলেটে মির্জা ফখরুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন শহীদ সেনাসদস্যের পরিবারের সদস্যরা সৌদি আরবের ৩ শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হুথিদের, ১৩ বেসামরিক আহত মনোহরগঞ্জের ১১টি ইউনিয়নে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম ঘোষণা

মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংকের সামনে দুই পক্ষের সংঘর্ষ অন্তত ৫৫ জন আহত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির প্রধান কার্যালয়ের সামনে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সচেতন গ্রাহক ফোরামের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৫৫ জন আহত হয়েছেন বলে দুই পক্ষের নেতারা দাবি করেছেন।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এস আলমের সময়ে নিয়োগ পাওয়া চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে সকালে ব্যাংকের সামনে অবস্থান নেন। কিছুক্ষণ পর সেখানে সচেতন গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা অবস্থান নিলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

সচেতন গ্রাহক ফোরামের সভাপতি নুর উন নবী মানিক দাবি করেন, তাদের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেছেন।

তিনি বলেন, ‘অবৈধভাবে নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে ব্যাংকের কোনো সম্পর্ক নেই। ব্যাংকটিকে নতুন করে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে তারা অবস্থান নিয়েছেন। আমরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছিলাম। এ সময় পুলিশের ছত্রছায়ায় আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।’

হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

অন্যদিকে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষ থেকে শহিদুল ইসলাম দাবি করেন, তাদের ২০ থেকে ২৫ জন আহত হয়েছেন। তাদের কয়েকজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা দ্বিতীয় দিনের মতো ব্যাংকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলাম। সেখানে আসার প্রায় ২০ মিনিটের মধ্যে গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা আমাদের ওপর হামলা চালান। পরে পুলিশ আমাদের সরিয়ে দেয়। হামলায় ২০ থেকে ২৫ জন আহত হয়েছেন।’

এদিকে ঘটনার বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মহসীন আল মুরাদ বলেন, ‘সকালের ঘটনার বিষয়ে আমি জানি না। বর্তমানে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থান করছেন। বাংলাদেশ ব্যাংক কেপিআইভুক্ত প্রতিষ্ঠান হওয়ায় তাদের সেখান থেকে চলে যেতে বলা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।’