বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম :
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঝোড়ো সেঞ্চুরিতে ব্রুকের ইতিহাস প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে চাকরি পেল আজন্ম দৃষ্টিহীন রাবি শিক্ষার্থী মক্কা নগরীর দক্ষিণে হুথি বিদ্রোহীরা ড্রোন হামলা, সৌদির হুঁশিয়ারি সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগে দুর্নীতিবিরোধী কমিটি গঠনের উদ্যোগ কুমিল্লায় অটোরিকশার জন্য দুই চালককে হত্যা, ‘সিরিয়াল কিলার’ মানিক গ্রেপ্তার গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় কাজ : রাষ্ট্রপতি ঝলম দক্ষিণ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ফখরুল ইসলামের পক্ষে উঠান বৈঠক ঢাকায় যানজট নিরসনে অনেকগুলো সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বাস্তবায়নে সময় লাগবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গুলশানে আ’লীগের মিছিলের বিষয়ে তথ্য ছিল, তবে পুলিশ আন্দাজ করতে পারেনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইমরান খানের জন্য অস্ট্রেলিয়ার সাবেক সাত অধিনায়কের চিঠি মানবিক আবেদন জানিয়ে আওয়ামী লীগ-যুবলীগ-ছাত্রলীগ তিন সংগঠনেরই সভাপতি-সেক্রেটারির ফাঁসির আদেশ মনোহরগঞ্জ ইউএনও’র সঙ্গে উন্নয়ন ফোরামের প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ দেশের নগর স্বাস্থ্যসেবাকে নতুনভাবে ঢেলে সাজানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার : প্রতিমন্ত্রী সৌদি আরবে হুথিদের হামলা, বিশ্ববাজারে লাফিয়ে বাড়ছে তেলের দাম ইসির ঘোষিত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ সরকারের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে পরিবর্তিত হতে পারে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

দেশের নগর স্বাস্থ্যসেবাকে নতুনভাবে ঢেলে সাজানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার : প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের ক্রমবর্ধমান নগরায়নের বাস্তবতায় নগর স্বাস্থ্যসেবাকে জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মূলধারায় এনে নতুনভাবে ঢেলে সাজানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, নগর স্বাস্থ্যসেবাকে মূলধারার বাইরে রেখে টেকসই জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব নয়।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সিএসও ফোরাম আয়োজিত ‘টেকসই এসআরএইচআর ইকোসিস্টেম’ বিষয়ক জাতীয় পরামর্শ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর দেশে শহুরে জনসংখ্যা ছিল ১০ শতাংশেরও কম। বর্তমানে তা প্রায় ৩০ শতাংশ এবং ২০৫০ সালের মধ্যে ৫০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। এতদিন নগর স্বাস্থ্যসেবা সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও এনজিওর মাধ্যমে পরিচালিত হলেও এখন সরকারের অধীনে একটি পূর্ণাঙ্গ ও টেকসই কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে।

ড. এম এ মুহিত বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর যৌথভাবে নগর স্বাস্থ্যসেবা পরিচালনায় ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবায় পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের দায়িত্ব গুরুত্বপূর্ণ হবে। তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। বিদ্যমান ৪০ হাজার কর্মীর সঙ্গে তাদের সমন্বিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এসব ‘কমিউনিটি হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিং’ কর্মীর হাতে আধুনিক রোগ নির্ণয় সরঞ্জাম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত ডিজিটাল অ্যাপ দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।

নগরের নিম্নআয়ের কর্মজীবী মানুষের জন্য সান্ধ্যকালীন ক্লিনিক চালুর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভাসমান জনগোষ্ঠী এবং প্রতিবন্ধী নারী ও শিশুদের সেবা নিশ্চিত করতে ওয়ার্ডভিত্তিক ক্যাচমেন্ট এলাকা নির্ধারণ করা হবে। প্রতি ৫০ হাজার থেকে এক লাখ জনগোষ্ঠীর জন্য একটি ইউনিট ধরে এ পরিকল্পনা করা হচ্ছে। নগর স্বাস্থ্যসেবার রূপরেখা বাস্তবায়নে দ্রুত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা চূড়ান্ত করার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে আগামী ২০ থেকে ৩০ বছরের জন্য জনবান্ধব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

আইপাস বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ও সিএসও ফোরামের আহ্বায়ক ডা. সায়েদ রুবাইয়েতের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব এ কে এম বেঞ্জামিন রিয়াজী এবং পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিনাত রেহানা।