শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০১:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি নীতিতে বড় পরিবর্তন, ফ্রিল্যান্সার ও ই-কমার্স ব্যবসায় সুখবর বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার- বলেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী এবার সিলেটে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা জুলাই আন্দোলনে শহীদদের আত্মত্যাগ বৃথা যাবে না : মির্জা ফখরুল জুলাই পদযাত্রায় অংশ নিতে সিলেটে পৌঁছেছেন এনসিপির নেতারা শেখ হাসিনা ফিরলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে : আইনমন্ত্রী তিনজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী আমির খানকে হত্যার হুমকি ‘বিরতি’ ভেঙে ফের ইরানে হামলা শুরু মার্কিন বাহিনীর তিন দিনের সফরে আজ ঢাকায় আসছেন ট্রা‌ম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর স্কাউটিং কে গতিশীল করতে আমি সর্বাত্নক সহযোগীতা করবো…. গাজালা পারভীন রুহী। মালয়েশিয়া থেকে ৫ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নিচ্ছে মিয়ানমার শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞের মামলায় লতিফ সিদ্দিকীকে গুলশান থেকে গ্রেপ্তার শ্রীমঙ্গলে পুলিশের সঙ্গে হাসনাত-নাসীরুদ্দীনের ধাক্কাধাক্কি,এনসিপির গাড়িবহর আটকা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারতে স্বাগত জানাতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা কর‌ছি- ভারতীয় হাইকমিশনার

ধর্ষকদের রক্ষাকারীকে শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে মোদি সরকার- রাহুল গান্ধী

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ধর্ষকদের রক্ষাকারীকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। চলতি সপ্তাহের শুরুতে তরুণদের আন্দোলনের মুখে পদত্যাগে বাধ্য হন দেশটির সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এরপর প্রহ্লাদ যোশীকে নতুন শিক্ষামন্ত্রী বানায় মোদি সরকার।

রাহুল গান্ধী আজ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বলেছেন, বিজেপি সরকার এমন একজনের ওপর আস্থা রেখেছে যিনি ধর্ষকদের রক্ষাকারী।

কেন এমন কথা বললেন রাহুল?

২০০২ সালে গুজরাটের দাঙ্গার সময় বিলকিস বানু নামে এক নারীকে ধর্ষণ ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করে উগ্রবাদীরা। ওই ঘটনায় ১১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। তবে ২০২২ সালে তাদের আগাম মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়। তাদের মুক্তি নিয়ে ২০১৮ সালে প্রক্রিয়া শুরু হয়।

আরও ওই সময় এসব ধর্ষকের মুক্তির ব্যাপারে সাফাই গান প্রহ্লাদ যোশী। তিনি বলেন গুজরাটের ধর্ষকরা দীর্ঘ সময় কারাবাস করেছে এবং তাদের মুক্তির ব্যাপারে একটি বিধান রয়েছে। তাই তারা ছাড়া পেলে তার কোনো সমস্যা নেই।

এরপর ২০২২ সালে গুজরাট সরকারের নির্দেশনায় তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। তবে ওই ১১ ধর্ষককে আগাম মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি ভারতে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি করে। এরপর ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট গুজরাট সরকারের এ নির্দেশনা অবৈধ ঘোষণা করে এবং সবাইকে আবারও কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশীকে ধর্ষকদের রক্ষাকর্তা হিসেবে অভিহিত করে রাহুল গান্ধী বলেছেন, “ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর দিকে দেখুন। তরুণরা শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে এত আন্দোলনের পর বিজেপি এমন একজনকে দায়িত্ব দিয়েছেন যিনি ধর্ষকদের রক্ষাকর্তা। আর ধর্ষকদের রক্ষাকর্তারা হলেন সবচেয়ে নোংরা ব্যক্তি। যখন কেউ বলেন ধর্ষকদের নিরাপত্তা প্রয়োজন আছে তার চেয়ে নোংরা কেউ হতে পারেন না। আর সেই ব্যক্তি ভারতের শিক্ষামন্ত্রী।”