শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০৭:৩২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম :
প্রেমের টানে ইউক্রেনের নারী কুমিল্লায় গুজব ছড়ানোর অভিযোগে কুমিল্লায় ডিবির অভিযানে দুইজন গ্রেফতার ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে ডেকে পুলিশের ওপর হামলা মনোহরগঞ্জে পিতার বসত ঘরে আগুন দিলো মাদকসেবি ছেলে শতবর্ষী সামিত্রী দাসের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিল আবুল হাসেম ফাউন্ডেশন রাজশাহীতে ৪০, ঢাকায় ৯০ টাকা—একই আমের দামে কেন এত ব্যবধান? বিকেলে ফখরুলের বক্তব্য, রাতে কারামুক্ত আইভী—প্রশ্ন তুললেন হানিফ ঈদুল আজহার ১৩ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৮১ জন হিজবুল্লাহর হামলা বন্ধের শর্তে যুদ্ধবিরতিতে রাজি ইসরায়েল সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন চেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি দেশের প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে : অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন শুল্কের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে ৭ জুন খুলছে স্কুল-কলেজ স্থানান্তর হতে পারে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সরকার পদ্মা ও তিস্তা ব্যারাজের কাজে হাত দেবে : প্রধানমন্ত্রী

বাজারে এসে ক্রেতা বললেন— বুঝতেই পারছি না কোন দেশে আছি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা কমেছে। তবে ডিমের বাজারের চিত্র ঠিক উল্টো। গত সপ্তাহের তুলনায় ডজনে বেড়েছে ২০ টাকা। অন্যদিকে মাছ ও গরুর মাংসের দাম প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে, যা কিছুটা হলেও স্বস্তি দিচ্ছে ক্রেতাদের।

আজ (শুক্রবার) রাজধানীর রামপুরা বাজার ঘুরে দামের এমন চিত্র দেখা গেছে। মুরগি বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজ বাজারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা কেজি দরে। আসল সোনালী মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ টাকা কেজি দরে এবং হাইব্রিড জাতের সোনালী মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি দরে।

বিক্রেতা সাইফুল জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে প্রায় ২০ টাকা কমেছে। তবে সোনালী মুরগির দাম আগের মতোই রয়েছে, এতে কোনো পরিবর্তন হয়নি।

ব্রয়লার মুরগি কিনতে আসা ক্রেতা আমিনুল বলেন, মুরগির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় একটু কমেছে, এটা অবশ্যই ভালো খবর। তবে এই দাম কতদিন থাকবে তা নিয়ে সন্দেহ আছে। বাজারে তো কখনোই স্থিরতা থাকে না। আজ কম, কাল আবার বেড়ে যায়।

গরুর মাংসের দোকান ঘুরে দেখা গেছে, আজ বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, এই দাম ঈদের আগে কমার কোনো সম্ভাবনা নেই।

মাছের বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, মাঝরি সাইজের ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ১০০০ টাকা কেজি দরে। এ ছাড়া রুই মাছ ৩২০ টাকা, তেলাপিয়া মাছ ২০০ টাকা, সিলভার কার্প মাছ ১৬০ টাকা, কই মাছ ১৪০ টাকা, পাঙাস মাছ ২০০ টাকা এবং পাবদা মাছ ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছ বিক্রেতারা জানিয়েছেন, মাছের বাজারে দাম মোটামুটি স্বাভাবিক রয়েছে। শুধু ইলিশ মাছের দাম কিছুটা কমেছে, অন্য মাছের দামে তেমন কোনো পরিবর্তন নেই।

এদিকে ডিমের বাজারে সবচেয়ে বেশি অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেছে। বাছাই করা বড় ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা দরে এবং খাঁচিতে থাকা ডিমের ডজন ১৩০ টাকা। অথচ গত সপ্তাহেই বাছাই করা বড় ডিমের ডজন ছিল ১২০ টাকা এবং খাঁচির ডিম বিক্রি হয়েছে ১১০ টাকায়।

ডিম কিনতে আসা ফারুক হোসেন দাম শুনে কিছুটা অবাকই হয়ে যান। তিনি বলেন, ডিম তো নিত্যপ্রয়োজনীয় একটা জিনিস। প্রতিদিনই লাগে, বিশেষ করে বাচ্চাদের জন্য কিন্তু হঠাৎ করে ডিমের দাম এত বেড়ে গেছে, বুঝতেই পারছি না কোন দেশে আছি।

তিনি আরও বলেন, গত সপ্তাহেও ১১০ টাকা ডজনে কিনেছি, এখন সেই দাম বেড়েছে ২০ টাকা। এটা খুবই অস্বস্তিকর। ডিমের দামে একটু নিয়ন্ত্রণ আনা দরকার, না হলে সাধারণ মানুষের জন্য সমস্যা আরও বাড়বে।