মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম :
সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষা জোরদারে বাংলা‌দেশ-জাপান চুক্তি স্বাক্ষর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে বদলে যাবে ভারত-পাকিস্তানের ভাগ্য? এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন ‘কিং’-এর পোস্টারে শাহরুখের চমক, ‘ঘাতক নই, আমি প্রেমিক’ বর্তমান সরকার মানবপাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা-চট্টগ্রামের কিছু এলাকায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎ বিপর্যয় ব্রাজিলের সদ্য-সমাপ্ত প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ‘কারচুপিপূর্ণ’, ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ : ট্রাম্প টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল নিয়ে যা ভাবছেন শান্ত ঢাকায় শুরু হচ্ছে ২০টির বেশি দেশের অংশগ্রহণে পর্যটন মেলা শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে মব বা বেআইনি পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে না : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে প্রায় ৬.৩৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে জাপান নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে সৌদি আরবে থাকা অপ্রয়োজনীয় কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের দেশটি ছাড়ার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরি হওয়ায় জাপানি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী : তারো আসো জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ৭ নভেম্বর সারা দেশে র‍্যালি করবে বিএনপি সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ : আইজিপি

কুমিল্লা বিসিকে কারখানা থেকে অনুমোদনহীন ২১ পদের ঔষধ জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কুমিল্লা বিসিক শিল্প নগরীর মর্ডান ড্রাগ নামে একটি কারখানায় অভিযান চালিয়েছেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসন। অভিযানে অনুমোদনহীন ২১টি ঔষধ তৈরির প্রমাণ পান। কুমিল্লা জেলা এনএসআই এর তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার সন্ধ্যা থেকে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইয়াজ খান। অভিযানে মর্ডান ড্রাগ নামের একটি কারখানা থেকে অনুমোদন বিহীন ২১ প্রকারের ঔষধ জব্দ করা হয়। এছাড়াও ওষুধ তৈরির বিভিন্ন কাঁচামাল সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্বকারী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইয়াজ খান জানান, প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক জুবায়ের ইসলাম শুধুমাত্র দুইটি ঔষধ তৈরীর অনুমতি নিয়ে ২১ টির অধিক ঔষধ তৈরি করে বাজারজাত করে আসছিল। এছাড়াও তিনি কোন প্রকার টেকনিশিয়ান ছাড়া নিজেই এই ওষুধ তৈরি করতেন। তৈরিকৃত এই ঔষধ দেশের বিভিন্ন স্থানে ডিলারের মাধ্যমে বিক্রয় করা হতো বলে জানান। এ ঘটনায় অনুমোদিনহীন মালামাল শব্দ ও নিয়মিত মামলা দায়ের হবে। সট- ম্যাজিস্ট্রেট ফাইয়াজ খান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কুমিল্লা জেলা প্রশাসক কার্যালয়।

অভিযানে থাকা কুমিল্লা ঔষধ প্রশাসনের অফিস সহকারী শাহ আলম সরকার বলেন, জব্দ করা ২১ প্রকারের ওষুধের মধ্যে কোনোটিই অনুমোদনের কাগজ পাওয়া যায়নি৷ এখানে কয়েকটি বিদেশি ওষুধও তৈরি করা হতো। তৈরিকৃত ঔষধের মধ্যে শিশুদের ওষুধগুলি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর।

বিষয়টি স্বীকার করে কারখানাটির মালিক জুবায়ের ইসলাম বলেন, কয়েকটি ওষুধ তৈরির অনুমতি থাকলেও ১৫ টি ওষুধের তৈরীর অনুমতি নেই।

অভিযানে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুলতানা হাসান মাহমুদ, এনএসআইয়ের কর্মকর্তা ও জেলা পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।