নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী বলেছেন, দেশ গঠনের স্বার্থে সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে এবং নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রাখতে হবে। “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের সময়ের মানুষ না, তিনি তোমাদেরই(জুলাই যোদ্ধাদের) সময়ের মানুষ। তোমাদের ব্যথা তিনি বোঝেন। তিনি নিজেও নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মারক উৎসব’-এর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মনিরুল হক চৌধুরী আরও বলেন, তোমরাই মেধাবী, তোমরাই ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব। তোমরা নেতৃত্বে থাকলে দেশ সঠিক পথে এগিয়ে যাবে।” একই সঙ্গে তিনি কুমিল্লার উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, “দেশ বাঁচানোর পাশাপাশি কুমিল্লাকেও বাঁচাতে হবে। কুমিল্লার উন্নয়নে আমরা কাজ শুরু করেছি।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি নাজমুল হাসান। তিনি বলেন, “জুলাই আন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছেন, যারা আহত হয়েছেন- তাদের আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।” তিনি অভিযোগ করে বলেন, “গণতান্ত্রিক কোনো দেশে এক মাসে হাজারো মানুষ হত্যার নজির নেই। কিন্তু এমন ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে নতুন বাংলাদেশের পথ তৈরি হয়েছে শহীদদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে।”
তিনি আরও বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থান, মুক্তিযুদ্ধ ও শহীদদের স্মরণ আমাদের দায়িত্ব।” কুমিল্লার শিক্ষার্থীদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ও ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, কুমিল্লা জেলার আহ্বায়ক সাকিব হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক নাভিদ নওরোজ শাহ, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোজাহিদ চৌধুরী, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আখতার হোসাইন, কুমিল্লা বাঁচাও মঞ্চের সদস্য সচিব নাসির উদ্দিন, শহীদ হামিদুর রহমান সাদমানের মা কাজী শারমিন, শহীদ মাসুমের পিতা শাহীন মিয়া প্রমুখ।
এছাড়াও ছাত্রশক্তি কুমিল্লা মহানগরের আহ্বায়ক মোস্তাফা জিহান, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আহ্বায়ক নাঈম ভুঁইয়া, সমন্বয়ক ত্বোহা আলমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।