গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে কারা জোর-এল। সুপারম্যানের মতো পৃথিবীতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বড় না হয়ে তিনি ধ্বংসপ্রাপ্ত ক্রিপ্টনের ভয়াবহ বাস্তবতার মধ্যে বেড়ে ওঠেন। ফলে তার ব্যক্তিত্ব অনেক বেশি কঠোর, বাস্তববাদী এবং আবেগঘন। এক পর্যায়ে নিজের বিশ্বস্ত কুকুর ক্রিপ্টোকে নিয়ে মহাকাশ ভ্রমণে বের হয়ে রুথি নামের এক কিশোরীর সঙ্গে পরিচিত হন তিনি। রুথির পরিবারের হত্যাকারীদের বিচারের মুখোমুখি করতে শুরু হয় এক বিপজ্জনক আন্তঃগ্যালাক্টিক অভিযান।
সিনেমাটির আরেকটি বড় আকর্ষণ হলো ডিসি কমিকসের জনপ্রিয় চরিত্র লোবো’র লাইভ-অ্যাকশন অভিষেক। এই চরিত্রে অভিনয় করেছেন জ্যাসন মামোয়া।
ট্রেলার প্রকাশের পর থেকেই সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এটি আগের সুপারগার্ল গল্পগুলোর তুলনায় বেশি পরিণত, আবেগঘন ও অন্ধকারধর্মী। একই সঙ্গে নতুন ডিসি ইউনিভার্স গঠনের ক্ষেত্রে ছবিটিকে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। ডিসি স্টুডিওস ভবিষ্যতে সুপারম্যানের পাশাপাশি সুপারগার্লকেও তাদের অন্যতম প্রধান নায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায়, আর সেই পরিকল্পনারই বড় পদক্ষেপ এই সিনেমা।